ঢাকা | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অঘটনের বিশ্বকাপে প্রথম রাউন্ডের সবচেয়ে বড় চমক কারা পেনাল্টি গোলে নকআউটের আশা বাঁচিয়ে রাখল দক্ষিণ আফ্রিকা ড্রোন-কাণ্ডের ঘটনায় মুখ খুললেন দক্ষিণ কোরিয়া কোচ চ্যাটবট থেকে ‘এজেন্ট’: বদলে যাচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জগৎ এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ ব্রিকসের বৈঠকে যোগ দিতে ভারতে যাচ্ছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে সবাই একমত হয়েছে : ডা. জাহেদ সংসদে অটো পাসের সমালোচনা সংসদে অটো পাসের সমালোচনা রাষ্ট্র ধর্মনিরপেক্ষ না হলে কীভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে, প্রশ্ন আনু মুহাম্মদের মুক্তমত প্রকাশ–সংক্রান্ত ও গায়েবি মামলা ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রত্যাহারের আশা আইন উপদেষ্টার প্রধান উপদেষ্টাকে মার্চে বেইজিং সফরে নিতে আগ্রহী চীন রমজান উপলক্ষে আরটিভির হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার সিলেকশন রাউন্ড শেষ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের আহ্বান ডিআরইউয়ের সাংবাদিকদের দ্রুত অ্যাক্রিডিটেশন প্রদানের আহ্বান অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্সের অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ ‘বিটিভি নিউজ’র যাত্রা শুরু বিশ্বকাপ নিয়ে রিভালদোর সঙ্গে তর্কে জড়ালেন নেইমার
ad728

ঈদে বাড়ি পৌছানোই এখন অনিশ্চিত জবি শিক্ষার্থীদের

রিপোর্টার: The Daily Moon
ঈদে বাড়ি পৌছানোই এখন অনিশ্চিত জবি শিক্ষার্থীদের
ছবির ক্যাপশন: ঈদে বাড়ি পৌছানোই এখন অনিশ্চিত জবি শিক্ষার্থীদের

ইশরাত জান্নাতুল ইভা, জবি প্রতিনিধি: লকডাউন শেষ হলে ৫ মে-এর পর বাড়িতে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল জবির মেসে অবস্থারত শিক্ষার্থীদের। কিন্তু লকডাউন ১৬ মে পর্যন্ত বৃদ্ধি করার কারণে সবাই পড়েছে বিপাকে। আন্তঃজেলা বাস চলাচল বন্ধ থাকায় কিছু কিছু শিক্ষার্থী প্রাইভেট কার, মাইক্রোতে করে বাড়ি যাওয়ার ব্যবস্থা করছে, কিন্তু তাদের গুণতে হচ্ছে দ্বিগুনেরও বেশি টাকা।

অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের পক্ষে এই ব্যবস্থায় বাড়ি যাওয়া কোনভাবেই সম্ভবপর নয়। অধিকাংশ শিক্ষার্থীরাই ঢাকায় টিউশনি করে চলে। এই টাকা দিয়ে তারা মেসের ভাড়া পরিশোধ, নিজের খরচ চালানো এবং বাড়িতেও টাকা পাঠান অনেকে। এমতাবস্থায় ঈদকে সামনে রেখে সবাই এখন অনিশ্চিত কিভাবে এই করোনা সংক্রমণের মধ্যে পরিবার পরিজনের কাছে পৌছাবে! এজন্য শিক্ষার্থীদের আশা যদি বিশ্ববিদ্যালয় বাস সার্ভিসের মাধ্যমে তাদের জন্য কোন ব্যবস্থা করা যায় তাহলে তারা বাড়িতে যেতে পারে।

সম্প্রতি মেইলের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। যেখানে বলা হয়, ‘এই লকডাউনে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব পরিবহন দিয়ে ঢাকায় আটকে থাকা শিক্ষার্থীদের ৮টি বিভাগীয় শহরগুলোতে পৌঁছে দেয়ার জন্য বিনীত মানবিক অনুরোধ রইলো। করোনার লকডাউনে এই ক্রান্তিলগ্নে পরিবারের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করার জন্য আমাদের জবিয়ানদের জন্য এই মানবিক উদ্যোগটি গ্রহণ করলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা চির কৃতজ্ঞ থাকবে।’

ad728
মন্তব্য করুন
ad300