ঢাকা | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অঘটনের বিশ্বকাপে প্রথম রাউন্ডের সবচেয়ে বড় চমক কারা পেনাল্টি গোলে নকআউটের আশা বাঁচিয়ে রাখল দক্ষিণ আফ্রিকা ড্রোন-কাণ্ডের ঘটনায় মুখ খুললেন দক্ষিণ কোরিয়া কোচ চ্যাটবট থেকে ‘এজেন্ট’: বদলে যাচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জগৎ এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ ব্রিকসের বৈঠকে যোগ দিতে ভারতে যাচ্ছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে সবাই একমত হয়েছে : ডা. জাহেদ সংসদে অটো পাসের সমালোচনা সংসদে অটো পাসের সমালোচনা রাষ্ট্র ধর্মনিরপেক্ষ না হলে কীভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে, প্রশ্ন আনু মুহাম্মদের মুক্তমত প্রকাশ–সংক্রান্ত ও গায়েবি মামলা ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রত্যাহারের আশা আইন উপদেষ্টার প্রধান উপদেষ্টাকে মার্চে বেইজিং সফরে নিতে আগ্রহী চীন রমজান উপলক্ষে আরটিভির হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার সিলেকশন রাউন্ড শেষ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের আহ্বান ডিআরইউয়ের সাংবাদিকদের দ্রুত অ্যাক্রিডিটেশন প্রদানের আহ্বান অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্সের অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ ‘বিটিভি নিউজ’র যাত্রা শুরু বিশ্বকাপ নিয়ে রিভালদোর সঙ্গে তর্কে জড়ালেন নেইমার
ad728

শাহ মখদুম মেডিকেল কলেজ এমডির বিরুদ্ধে মামলা

রিপোর্টার: The Daily Moon
শাহ মখদুম মেডিকেল কলেজ এমডির বিরুদ্ধে মামলা
ছবির ক্যাপশন: শাহ মখদুম মেডিকেল কলেজ এমডির বিরুদ্ধে মামলা

শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় শাহ মখদুম মেডিকেল কলেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মনিরুজ্জামান স্বাধীনকে প্রধান আসামি করে মোট ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। হামলায় আহত ছাত্র আশিকুর রহমান বাদী হয়ে শুক্রবার রাতে রাজশাহী মেট্রোপলিটনের চন্দ্রিমা থানায় এ মামলা করেন।

চন্দ্রিমা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুম মুনীর জানান, ৯ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত আরও ১৩ জনকে আসামি করে এ মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতেই একজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। বাকি আসামি গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে, কলেজ ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শুক্রবার সন্ধ্যায় শাহ মখদুম মেডিকেল কলেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুনীরুজ্জামান স্বাধীনের ভাই মিঠু ও টিটুসহ ২০/২২ জন সশস্ত্র ক্যাডার শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। এতে ১২ জন শিক্ষার্থী আহত হন। তারা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানান, শুরু থেকেই ভাড়া করা শিক্ষক ও সরঞ্জাম দিয়ে চলছিল রাজশাহীর বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শাহ মখদুম মেডিকেল কলেজ। ২০১৩ সালে শিক্ষা কার্যক্রম চালুর পর থেকে নানা অনিয়মের মাধ্যমে বছর বছর শিক্ষার্থী ভর্তি করে আসছিল কলেজটি।

প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ পরিচালনার কোনো শর্ত পূরণ না হওয়ায় গত ২ নভেম্বর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশপত্রে কলেজটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এদিন পর্যন্ত বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস কোর্সে মোট ২২৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ভর্তি শিক্ষার্থীদের দেশের যেকোনো প্রাইভেট মেডিকেল কলেজে দ্রুত মাইগ্রেশনের ব্যবস্থা করতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজকে নির্দেশ দেয়। সেই থেকে শিক্ষার্থীরা দ্রুত মাইগ্রেশনের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন।

এদিকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জারি করা নির্দেশপত্রে বলা হয়েছে, ২০১৩ সালে চালুর পর প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ পরিচালনার কোনো শর্তই পূরণ করতে পারেনি রাজশাহী শাহ মখদুম মেডিকেল কলেজ। ফলে এই এটি পরিচালনা ও শিক্ষার্থী ভর্তির উপযোগী নয়। সেই সঙ্গে চলতি শিক্ষাবর্ষে কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি না করারও নির্দেশ দেয়া হয়। শর্তহীনভাবে শিক্ষার্থীদের ছাড়পত্র দিতেও কলেজ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

অন্যদিকে মন্ত্রণালয়ের ওই নির্দেশ পুণঃবিবেচনার আবেদন করেন কলেজ কর্তৃপক্ষ। শনিবার মন্ত্রণালয়ের একটি টিম কলেজটি পরিদর্শনের নোটিশ দেন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, মন্ত্রণালয়ের একটি টিম মেডিকেল কলেজ পরিদর্শন করবে এবং তাদেরকে দেখানোর জন্য শুক্রবার সন্ধ্যায় অন্য স্থান থেকে মেডিকেল সরঞ্জাম এনে শাহ মখদুম মেডিকেল কলেজের ল্যাবে বোঝাই করা হচ্ছিল। শিক্ষার্থীরা তা দেখে নিজেরা ছবি তুলছিলেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

ad728
মন্তব্য করুন
ad300