ঢাকা | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অঘটনের বিশ্বকাপে প্রথম রাউন্ডের সবচেয়ে বড় চমক কারা পেনাল্টি গোলে নকআউটের আশা বাঁচিয়ে রাখল দক্ষিণ আফ্রিকা ড্রোন-কাণ্ডের ঘটনায় মুখ খুললেন দক্ষিণ কোরিয়া কোচ চ্যাটবট থেকে ‘এজেন্ট’: বদলে যাচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জগৎ এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ ব্রিকসের বৈঠকে যোগ দিতে ভারতে যাচ্ছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে সবাই একমত হয়েছে : ডা. জাহেদ সংসদে অটো পাসের সমালোচনা সংসদে অটো পাসের সমালোচনা রাষ্ট্র ধর্মনিরপেক্ষ না হলে কীভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে, প্রশ্ন আনু মুহাম্মদের মুক্তমত প্রকাশ–সংক্রান্ত ও গায়েবি মামলা ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রত্যাহারের আশা আইন উপদেষ্টার প্রধান উপদেষ্টাকে মার্চে বেইজিং সফরে নিতে আগ্রহী চীন রমজান উপলক্ষে আরটিভির হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার সিলেকশন রাউন্ড শেষ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের আহ্বান ডিআরইউয়ের সাংবাদিকদের দ্রুত অ্যাক্রিডিটেশন প্রদানের আহ্বান অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্সের অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ ‘বিটিভি নিউজ’র যাত্রা শুরু বিশ্বকাপ নিয়ে রিভালদোর সঙ্গে তর্কে জড়ালেন নেইমার
ad728

কারাবন্দীর কোরআন তেলাওয়াতে বদলে যায় জীবন

রিপোর্টার: The Daily Moon
কারাবন্দীর কোরআন তেলাওয়াতে বদলে যায় জীবন
ছবির ক্যাপশন: কারাবন্দীর কোরআন তেলাওয়াতে বদলে যায় জীবন

অর্থের অভাবে পড়ে কাজের সন্ধানে থাইল্যান্ড থেকে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান নাফিস ইয়াকুব নামের এক তরুণ। কিন্তু অবৈধভাবে আসায় সর্বদা তাঁকে পুলিশের ভয়ে থাকতে হতো। তদুপরি কাজের সন্ধানে দিন গুজরান করতে থাকেন।

তখন রমজানের কয়েক দিন বাকি। বিভিন্ন মসজিদ থেকে তারাবি নামাজ পড়ানোর ডাক আসে। এমন সময় ইউসুফ রাতের খাবার খেতে ঘর থেকে বের হন। ঘটনাক্রমে টহলরত মালয় পুলিশ তাঁকে পরিচয়পত্র দেখাতে বলে। কিন্তু কোনো বৈধ নথিপত্র না থাকায় পুলিশ ইউসুফকে জেলে নিয়ে যায়। অবৈধভাবে মালয়েশিয়া আসায় তাঁকে কারাগারে রাখা হয়। যেন উপযুক্ত সময়ে তাঁকে দেশে ফেরত পাঠানো যায়।

কারাগারের কোনো ফ্যান ছিল না। পুরো সময় ঘুমিয়ে কাটাতেন ইউসুফ। তীব্র গরম থেকে রক্ষা পেতে গায়ের জামা খুলে তাতে বসতেন। খাবারের আগে ঘুম থেকে জেগে বসতেন। খাবারের অপেক্ষার সময় তাঁকে বসে থাকতে হতো। এ সময় তিনি অত্যন্ত সুন্দর কণ্ঠে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করতেন। কণ্ঠস্বর মনমুগ্ধকর হওয়ায় সবাই তাঁর কোরআন তেলাওয়াত শুনতে আসতেন।

দায়িত্বরত এক নিরাপত্তাকর্মী ইউসুফের সুন্দর কোরআন তেলাওয়াতের দৃশ্য ভিডিও করেন। ভিডিওতে দেখা যায় বন্দীরা ভিড় করে তার তেলাওয়াত শুনছে। পরবর্তীতে তা ইন্টারনেটে ভাইরাল হয় এবং তাঁর সুন্দর কণ্ঠে সবাই মুগ্ধ হয়।

সবার মুগ্ধতার পাশাপাশি ইউসুফের দুঃখ-কষ্টে ভরা জীবন দেখে মালয়েশিয়ার মুসলিমরা তাঁর প্রতি সহানুভূতি দেখান। এমনকি মালয়েশিয়ার একজন মন্ত্রী কারাগারে এসে ইউসুফের সঙ্গে সাক্ষাত করেন।

অজ্ঞাত কারণে কয়েক দিন পর ইউসুফের ছয় মাসে জেল কমিয়ে চার মাস করা হয়। এ সময় তিনি বন্দীদের নিয়ে নিয়মিত জামাতে নামাজ আদায় করতেন। রমজানে তারাবি নামাজ আদায় করতেন। বন্দীদের তিনি ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলো শেখাতেন। তাঁর নিজস্ব কর্মতৎপরতায় অনেক কারাবন্দীর জীবন বদলে যায়।

নির্দিষ্ট সময়ের পর ইউসুফ কারাগার থেকে মুক্তি পান। মালয়েশিয়ার একটি দাওয়াহ বিষয়ক কোর্স সম্পন্ন করে তিনি একটি মসজিদে ইমাম হিসেবে নিযুক্ত হোন। পরবর্তীতে কম্বোডিয়ায় তাহফিজ আল কালাম নামে একটি মাদরাসা পরিচালনা করেন।

ad728
মন্তব্য করুন
ad300