ঢাকা | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অঘটনের বিশ্বকাপে প্রথম রাউন্ডের সবচেয়ে বড় চমক কারা পেনাল্টি গোলে নকআউটের আশা বাঁচিয়ে রাখল দক্ষিণ আফ্রিকা ড্রোন-কাণ্ডের ঘটনায় মুখ খুললেন দক্ষিণ কোরিয়া কোচ চ্যাটবট থেকে ‘এজেন্ট’: বদলে যাচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জগৎ এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ ব্রিকসের বৈঠকে যোগ দিতে ভারতে যাচ্ছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে সবাই একমত হয়েছে : ডা. জাহেদ সংসদে অটো পাসের সমালোচনা সংসদে অটো পাসের সমালোচনা রাষ্ট্র ধর্মনিরপেক্ষ না হলে কীভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে, প্রশ্ন আনু মুহাম্মদের মুক্তমত প্রকাশ–সংক্রান্ত ও গায়েবি মামলা ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রত্যাহারের আশা আইন উপদেষ্টার প্রধান উপদেষ্টাকে মার্চে বেইজিং সফরে নিতে আগ্রহী চীন রমজান উপলক্ষে আরটিভির হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার সিলেকশন রাউন্ড শেষ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের আহ্বান ডিআরইউয়ের সাংবাদিকদের দ্রুত অ্যাক্রিডিটেশন প্রদানের আহ্বান অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্সের অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ ‘বিটিভি নিউজ’র যাত্রা শুরু বিশ্বকাপ নিয়ে রিভালদোর সঙ্গে তর্কে জড়ালেন নেইমার
ad728

আল্লাহ ও বান্দার মাঝে সম্পর্ক

রিপোর্টার: The Daily Moon
আল্লাহ ও বান্দার মাঝে সম্পর্ক
ছবির ক্যাপশন: আল্লাহ ও বান্দার মাঝে সম্পর্ক

প্রফেসর ড. মেহমেদ গরমেজ।প্রথম প্রজন্মের মুসলমানগণ, যেমন হাসান আল বসরী (রহঃ) মানুষ ও আল্লাহর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করেন রহমতের ভিত্তিতে। তাদের পরে আসেন মুতাযিলাগণ, তারা আল্লাহ এবং মানুষের মধ্যকার সম্পর্ক স্থাপন করেন আদালতের উপর ভিত্তি করে।

মুতাযিলাদের পরে আসেন আশয়ারীগণ, তারা আল্লাহ এবং মানুষের মধ্যকার সম্পর্ক স্থাপন করেন কুদরতের (শক্তির) উপর ভিত্তি করে। তারপর আসেন মাতুরিদীগণ, তারা আল্লাহ এবং মানুষের মধ্যকার সম্পর্ক স্থাপন করেন হিকমতের উপর ভিত্তি করে। তাদের পরে আসেন সুফীগণ, তারা আল্লাহ এবং মানুষের মধ্যকার সম্পর্ক স্থাপন করেন মুহাব্বত (ভালোবাসার) উপর ভিত্তি করে।

এ ধারাসমূহ তাদের এ মূলনীতিগুলোর উপর ভিত্তি করে আমাদের সময় পর্যন্ত এসে পৌঁছেছে এবং ‘আল্লাহর সাথে মানুষের সম্পর্কের ভিত্তি হল কুদরত (শক্তি)‘– এটি মুসলমানদের মধ্যে অনেক শক্তিশালী একটি অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। সালাফী ধারা এ বিষয়টিকে এক ধাপ সামনে এগিয়ে নিয়ে এটিকে চরম মাত্রায় পৌঁছে দিয়েছে।আমাদের পূর্বপুরুষদের এ সকল চিন্তা জ্ঞানগত ও একাডেমিক গবেষণায় লিখিত গ্রন্থসমূহে, এমনকি মনস্তাত্ত্বিক দিক থেকেও আমাদের পূর্বের প্রজন্মসমূহের উপর প্রতিফলিত হয়েছে।

কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য অতীতের এ চিন্তাধারাসমূহকে যুগের বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে সংস্কার করা হয়নি। তবে এ যুগের প্রখ্যাত মুতাফাক্কির ও দার্শনিক প্রফেসর ডঃ ত্বহা আব্দুর রহমান এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। তিনি এ চিন্তায় নতুনত্ব দান করেছেন। তিনি মানুষের সাথে আল্লাহর সম্পর্ককে নিরূপণ করেছেন দুইটি মিসাক (চুক্তি) এর উপর ভিত্তি করে। সেই মিসাক দুইটি হলঃ

ميثاق الاشهاد (মিসাকুল ইশহাদ)

ميثاق الامانة (মিসাকুল আমানাত)

আজ আমাদের রহমতের সাথে আদালতের, হিকমতের সাথে ভালবাসার (মুহাব্বত) এবং সব কিছুই হবে আল্লাহর সর্বময় ক্ষমতা (কুদরত) এর উপর বিশ্বাসের মাধ্যমে।

আল্লাহর সাথে আমাদের সম্পর্ক স্থাপন করার ক্ষেত্রে নতুন করে ভাবতে হবে এবং বর্তমান যুগকে সামনে রেখে আল্লাহর সাথে আমাদের সম্পর্ককে নির্মাণ করতে হবে মিসাকের (চুক্তি) উপর ভিত্তি করে। আর সেই চুক্তি হল মিসাকুল ইশহাদ এবং মিসাকুল আমানাত। আমরা যদি এ চিন্তার আলোকে আমাদের ধর্মীয় চিন্তাকে পুনর্গঠন করতে পারি, তাহলে এটা আমাদের সেই মেথডোলজির দিকে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে, যে মেথডোলজি আমাদের পূর্বে অনেক বড় বড় স্কলারের জন্ম দিয়েছিল।

অনুবাদকঃ শ্রদ্ধেয় ‍বুরহান উদ্দিন।

ad728
মন্তব্য করুন
ad300